কাসকা* কি?
কাসকা* হলো উদ্ভিদের একটি অনুপুষ্টি, যা ‘Zinc Sulphate (Mono)’ নামে পরিচিত। এতে ৩৩% ‘জিংক’ এবং ১৫% ‘সালফার’ রয়েছে।
কাসকা* কেন ব্যবহার করবেন?
কাসকা* ফসলের জিংক ও সালফারের ঘাটতি পূরণ করে উদ্ভিদের সুষম বৃদ্ধি ঘটায় এবং অধিক ফলন পেতে সহায়তা করে।
কাসকা* উদ্ভিদ দেহে বৃদ্ধি সহায়ক হরমোন ‘অক্সিন’ গঠনে সহায়তা করে।
এটি উদ্ভিদ দেহে আমিষ সংশ্লেষণ এবং ক্লোরোফিল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদ্ভিদ কোষের ঝিল্লিকে দৃঢ়তা প্রদান করে।
পরাগরেণু গঠন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
সালোকসংশ্লেষণ বৃদ্ধি করে এবং গাছকে সতেজ ও সবল রাখতে সহায়তা করে।
পাতা ও ফলের রং উন্নত করে এবং শস্যদানায় প্রোটিনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
শিকড়ের বিস্তার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, ফলে গাছ সহজে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান গ্রহণ করতে পারে এবং ফলন বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।
| ফসল | একর প্রতি | প্রয়োগ পদ্ধতি |
|---|---|---|
| ভুট্টা, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, টমেটো, পালং শাক, মটরশুটি, মুগডাল, সয়াবিন, সূর্যমুখী, সরিষা ও কুমড়া জাতীয় ফসলসহ অন্যান্য ফসল | ৩ কেজি | শেষ চাষের সময় জমিতে ছিটিয়ে দিতে হবে। তবে টিএসপি, এসএসপি, ডিএপি ও কম্পোস্ট সারের সাথে মিশ্রিত না করাই ভালো। |
ব্যবহারবিধি:
মাটির উর্বরতার মাত্রা, ফসলের ধরন ও ঋতুভেদে এদেশের মাটিতে ২-৩ কেজি / একর কাসকা* ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়েছে। বীজ বপন বা চারা রোপণের পূর্বে জমিতে শেষ চাষের সময় অনুমোদিত মাত্রায় কাসকা* ছিটিয়ে দিন।
এছাড়া ফসলের শারীরিক বৃদ্ধির সময় জিংকের অভাবের লক্ষণ দেখা দিলে গাছের গোড়ায় প্রয়োজনীয় পরিমাণ কাসকা* ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। জিংকের অভাব তীব্র হলে ১০-১৫ দিন পর আবার কাসকা* প্রয়োগ করা যেতে পারে।
সাবধানতা:
ব্যবহারের পূর্বে প্যাকেটের গায়ে লিখিত নির্দেশাবলী ভালোভাবে পড়ুন এবং মেনে চলুন।
রেজিস্ট্রেশন নং: আইএমপি-৮০৪৪।
প্যাক সাইজ: ২ কেজি এবং ১ কেজি।








































































