লিবরেল জিংক

লিবরেল® জিংক কি?
লিবরেল® জিংক বিএএসএফ ইন্ডিয়া কর্তৃক সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে প্রস্তুতকৃত চিলেটেড যৌগ। এতে কমপক্ষে ১২% জিংক (Zn) থাকে।

দস্তার অভাবজনিত লক্ষণ:

  • লিবরেল® জিংকের অভাবে উদ্ভিদের ইন্টারনোড (Internodes) ও পাতার আকার ছোট এবং জমিতে ফসল/ উদ্ভিদের বৃদ্ধি অসমান হয়।
  • ফসলের পাতায় ময়লা বাদামী (Pale brown) দাগ এবং পাতায় বিচিত্র বর্ণের দাগ দেখা যায়।
  • টিলার (Tiller) বা কুশির এর সংখ্যা কমে যায়। ধানের চিটা ও অপুষ্ট দানার পরিমাণ বেড়ে যায়। ফসলের পরিপক্কতা আসতে সময় লাগে।
  • এছাড়া কম জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ বেলে মাটিতে, যে মাটিতে ক্ষারত্ব রয়েছে (পিএইচ ৭ এর অধিক), সে সব স্থানে জিংক এর অভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।

ব্যবহারবিধি: লিবরেল® জিংক অল্প পরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে নাড়াতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়। পাতায় ও কাণ্ডে স্প্রে মেশিনের সাহায্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ স্প্রে দ্রবণ এমনভাবে স্প্রে করুন যাতে গড়িয়ে না পড়ে এবং মাটিতে স্প্রে মেশিনের সাহায্যে কিংবা বালি, ছাই অথবা সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করা যেতে পারে। জমিতে ফসল বপন বা রোপণের পূর্বে শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে এবং শস্য থাকাবস্থায় দুই সারির মাঝখানে প্রয়োগ করতে হবে।

বহুবর্ষী শস্য, গুল্ম এবং বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ: উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি (Seasonal growth) শুরুর পূর্বে শিকড় অঞ্চলে (Root Zone) উল্লিখিত মাত্রায় প্রয়োগ করুন। জিংকের তীব্র অভাব দেখা দিলে ১০-১৫ দিন পর অল্প পরিমাণ লিবরেল® জিংক পুনরায় প্রয়োগ করা যেতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন নং: আইএমপি-৪৪৮০
প্যাকিং সাইজ: ১০০ গ্রাম ও ৫০ গ্রাম।
সাবধানতা: ব্যবহারের পূর্বে প্যাকেটের গায়ে লিখিত নির্দেশাবলী ভালভাবে পড়ুন এবং মেনে চলুন।

প্রয়োগমাত্রা :                              

ফসল মাটিতে প্রয়োগের ক্ষেত্রে পাতায় প্রয়োগের ক্ষেত্রে
(১০ লিটার পানিতে)
ধান, গম, ভুট্টা, আলু, টমেটো ৭০-১০০ গ্রাম/ বিঘা ৫-১০ গ্রাম
ফল ও অন্যান্য গাছ ৫-৭ গ্রাম গাছ প্রতি ৫-১০ গ্রাম